যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র সকল বোর্ডের ফাইনাল সাজেশন।এইচএসসি পরিক্ষা ২০২৩

 


'ক' নম্বরের জন্য 

জ্ঞানমূলক প্রশ্ন





যুক্তিবিদ্যা-প্রথম পত্র বিষয়ের যে অধ্যায়গুলো পরীক্ষায় আছে।

অধ্যায়: ১

যুক্তিবিদ্যা: পরিচিতি


অধ্যায়: ৩ : যুক্তির উপাদান

অধ্যায়: ৪: বিধেয়ক

অধ্যায়: ৫: অনুমান

অধ্যায়: ৬: অবরোহ অনুমান

অধ্যায়: ৭ : আরোহ অনুমান ও আরোহ অনুমানের ভিত্তি

এখানে অধ্যায় আছে-৬টি প্রশ্ন আসবে-১১টি

| উত্তর দিতে হবে মাত্র- ৪টি

এখান থেকে যেকোনো ১/২ টি অধ্যায় বাদ দিলেও ৪টি প্রশ্ন কমন পড়বে। তাই যার কাছে যে অধ্যায়গুলো কঠিন লাগে,

সেখান থেকে কমপক্ষে ১/২টি অধ্যায় বাদ দিতে পারবে।


১ম অধ্যায়: 

যুক্তিবিদ্যা পরিচিতি



১। Logos শব্দের অর্থ কী?

উত্তর: "Logos শব্দের অর্থ চিন্তা, ভাষা বা শব্দ।

২। যুক্তিবিদ্যা কাকে বলে

উত্তর: অবৈধ যুক্তি থেকে বৈধ যুক্তিকে পৃথক করার একট বিশিষ্ট বিদ্যা হলো যুক্তিবিদ্যা। 

৩। কলা কী?

উত্তর: যে শাস্ত্র জীবন পরিচালনার কলাকৌশল সম্পর্কে শিক্ষা প্রদান করে তাকে কলা বলে। 

৪। যুক্তিবিদ্যার জনক কে?

উত্তর: এরিস্টটল।

৫। যুক্তিবিদ্যার বুৎপত্তিগত অর্থ কী?

উত্তর: যুক্তিবিদ্যার বুৎপত্তিগত অর্থ হলো ভাষায় প্রকাশিত চিন্তা সম্পর্কিত বিজ্ঞান। 


৬। আরোহ কী?

উত্তর: যে অনুমানের সিদ্ধান্তটি সবসময়ই আশ্রয়বাক্যগুলো থেকে বেশি ব্যাপক তাকে আরোহ বলে।

৭। যুক্তিবিদ্যার প্রধান আলোচ্য বিষয় কী?

উত্তর: যুক্তিবিদ্যার প্রধান আলোচ্য বিষয় যুক্তি।

৮। যুক্তিবিদ্যা কোন ধরনের বিজ্ঞান?

উত্তর যুক্তিবিদ্যা আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান । 

৯। শব্দগত অর্থে যুক্তিবিদ্যা কী?

উত্তর:শব্দগত অর্থে যুক্তিবিদ্যা হলো ভাষায় প্রকাশিত চিন্তা সম্পর্কিত বিজ্ঞান।




৩য় অধ্যায়: যুক্তির উপাদান





১। শব্দ কী?

উত্তর: এক বা একাধিক বর্ণ মিলে যখন কোনো অর্থ প্রকাশ করে তখন তাকে শব্দ বলে । 

২। পদ কী?

উত্তর: যে শব্দ বা শব্দসমষ্টি কোনো যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য বা বিধেয় হিসেবে ব্যবহৃত হয় বা ব্যবহারের উপযুক্ত হয় সে শব্দ বা শব্দ সমষ্টিকে পদ বলে ।

৩। পদের ব্যক্ত্যর্থ কাকে বলে?

উত্তর: কোনো পদ একই অর্থে যে বস্তু বা বস্তুসমূহের ওপর প্রয়োগ করা সম্ভব, সে বস্তু বা বস্তুসমূহের সমষ্টিকে এ পদের ব্যক্ত্যর্থ বলে ।

৪। পদের ব্যাপ্যতা কাকে বলে?

উত্তর: কোনো বাক্যে ব্যবহৃত উদ্দেশ্য বা বিধেয় পদ পরিমাণগতভাবে সেই বাক্যে কতটুকু প্রভাব বিস্তার লাভ করে তাকেই পদের ব্যাপ্যতা বলা হয় ৷

৫। যুক্তিবাক্য কাকে বলে?

উত্তর: দুটি পদের মধ্যে সম্পর্কজ্ঞাপক ভাষায় প্রকাশিত রূপ হলো যুক্তিবাক্য ।

৬। যুক্তিবিদ্যায় শব্দ কত প্রকার?

উত্তর: যুক্তিবিদ্যায় শব্দ তিন প্রকার ৷

৭। 'Terminus’শব্দের অর্থ কী?

উত্তর: 'Terminus’শব্দের অর্থ সীমা বা প্ৰান্ত ৷

৮। একটি যুক্তিবাক্যে কয়টি উপাদান থাকে?/কয়টি অংশ থাকে?

উত্তর: তিনটি।

৯। অবধারণ কী?


উত্তর: দুটি ধারণার মধ্যে স্বীকৃতি বা অস্বীকৃতিজ্ঞাপক মানসিক অবস্থাকে অবধারণ বলে । 

১০। নিরপেক্ষ পদ কাকে বলে?

উত্তর: যে পদের অর্থ প্রকাশের জন্য অন্য কোনো পদের ওপর নির্ভর করতে হয় না তাকে নিরপেক্ষ পদ বলে।


১১। যুক্তিবাক্যে উপাদান কয়টি ও কী কী?

উত্তর: তিনটি। উদ্দেশ্য, সংযোজক ও বিধেয় ।




৪র্থ অধ্যায়: বিধেয়ক



১। বিধেয়ক কাকে বলে?

উত্তর: শ্রেণিবাচক বা জাতিবাচক বিধেয় পদবিশিষ্ট কোনো সদর্থক যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য পদের সাথে বিধেয় পদের যে সকল সম্পর্ক থাকতে পারে সেই সকল সম্পর্ককে বিধেয় বলে । 

২। বিধেয় কী?

উত্তর: কোনো যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য সম্পর্কে যা কিছু বলা হয় তাকে বিধেয় বলে ৷

৩। বিধেয়ক কত প্রকার? কী কী?

উত্তর: বিধেয়ক পাঁচ প্রকার। জাতি, উপজাতি, বিভেদক লক্ষণ, উপলক্ষণ এবং অবান্তর লক্ষণ ।

৪। উপলক্ষণ কী?

উত্তর: যে গুণ বা গুণাবলি কোনো পদের জাত্যর্থের অংশ নয় কিন্তু পদটির জাত্যর্থ থেকে অনিবার্যভাবে নিঃসৃত হয় সেসব গুণ বা গুণাবলিকে উপলক্ষণ বলে ।

৫। সম্বন্ধ অনুসারে পদ কত প্রকার?

উত্তর: সম্বন্ধ অনুসারে পদ দুই প্রকার।

৬। 'সকল মানুষ হয় মরণশীল'-বিধেয় এখানে কী?

উত্তর: বিধেয় এখানে উপলক্ষণ ।

৭। বিধেয়কের সংজ্ঞায় এরিস্টটল কী বলেছেন?

উত্তর: এরিস্টটল বলেছেন, ”অবধারণের উদ্দেশ্যের সাথে বিধেয়ের সম্বন্ধগুলোকে যত শ্রেণিতে ভাগ করা যায়, সেই শ্রেণিসমূহকে বিধেয়ক বলে।”



৫ম অধ্যায়: অনুমান



১। অনুমান কী?

উত্তর: কোনো জ্ঞাত বা জানা বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে যখন কোনো অজ্ঞাত বা অজানা

বিষয় সম্পর্কে সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করা হয় তখন তাকে অনুমান বলে।

২। অনুমান কত প্রকার?

উত্তর: অনুমান প্রধানত দুই প্রকার ।

৩। যুক্তিবিদ্যার প্রধান আলোচ্য বিষয় কোনটি?

উত্তর: যুক্তিবিদ্যার প্রধান আলোচ্য বিষয় হলো অনুমান ।

৪। অনুমান কত প্রকার ও কী কী?

উত্তর: দুই প্রকার। যথা: অবরোহ অনুমান ও আরোহ অনুমান ।

৫। আরোহের ভিত্তি কাকে বলে?

উত্তর: আরোহ অনুমান যেসব বিষয়ের ওপর নির্ভর করে প্রতিষ্ঠিত হয় তাকে আরোহের ভিত্তি বলে।

৬ । আরোহ কী?

উত্তর: যে অনুমানে বিশেষ বিশেষ দৃষ্টান্তের পর্যবেক্ষণ থেকে সার্বিক সংশ্লেষক সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করা হয় তাকে আরোহ বলে।

৭। যুক্তিবিদ্যায় জ্ঞানলাভের প্রধান উৎস কী?

উত্তর: যুক্তিবিদ্যায় জ্ঞানলাভের প্রধান উৎস অনুমান ।

৮। আরোহাত্মক উল্লম্ফন কাকে বলে?

উত্তর: যে বৈশিষ্ট্য বা যার ওপর ভিত্তি করে আরোহ অনুমানে বিশেষ থেকে সার্বিকে, কিছু

থেকে সমগ্রে গমন করা হয় তাকে আরোহাত্মক উল্লম্ফন বলে।

৯। জানা থেকে অজানায় যাওয়ার প্রক্রিয়াকে কী বলে?

উত্তর: জানা থেকে অজানায় যাওয়ার প্রক্রিয়াকে অনুমান বলে।



৬ষ্ঠ অধ্যায়: অবরোহ অনুমান






১। সহানুমান কী?

উত্তর : যে মাধ্যম অবরোহ অনুমানে সিদ্ধান্তটি দুটি পরস্পর সম্বন্ধযুক্ত আশ্রয়বাক্য থেকে অনিবার্যভাবে নিঃসৃত হয় তাকে সহানুমান বলে ।

২। আবর্তন কী?

উত্তর: যে অমাধ্যম অবরোহ অনুমানে গুণের পরিবর্তন না করে আশ্রয়বাক্যের উদ্দেশ্য ও বিধেয়ের ন্যায়সঙ্গতভাবে স্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত অনুমিত হয় তাকে আবর্তন বলে।

৩। আবর্তন কত প্রকার? উত্তর: দুই প্রকার।

৪। সহানুমানে পদ কয়টি?

উত্তর: তিনটি।

৫। অনুমান কোন ধরনের প্রক্রিয়া?

উত্তর: অনুমান এক প্রকার মানসিক প্রক্রিয়া।

৬। সহানুমান কত প্রকার?

উত্তর: সহানুমান প্রধানত দুই প্রকার । শুদ্ধ বা অমিশ্র সহানুমান, মিশ্র অনুমান । 

৭। প্রাকল্পিক সহানুমান কী?

উত্তর: যে সহানুমানের তিনটি যুক্তিবাক্যের সব কয়টিই প্রাকল্পিক যুক্তিবাক্য তাকে প্রাকল্পিক সহানুমান বলে।

৮। আবর্তনের কয়টি নিয়ম?

উত্তর: আবর্তনের চারটি নিয়ম।

৯। আবর্তনের আশ্রয়বাক্যকে কী বলা হয়?

উত্তর: আবর্তনীয়। I

১০। অসরল আবর্তন কাকে বলে?

উত্তর: যে আবর্তনে আশ্রয়বাক্য ও সিদ্ধান্তের পরিমাণ একই থাকে তাকে সরল আবর্তন বলে।

১১। প্রতিবর্তন কী?

উত্তর: যে অমাধ্যম অবরোহ অনুমানে আশ্রয়বাক্যের অর্থ পরিবর্তিত রেখে গুণের পরিবর্তন করে এবং আশ্রয়বাক্যের বিধেয় পদের বিরুদ্ধ পদকে বিধেয় হিসেবে ব্যবহার করে সিদ্ধান্ত অনুমিত হয় তাকে প্রতিবর্তন বলে।

১২। অমাধ্যম অনুমান কী?


উত্তর: যে অবরোহ অনুমানে একটিমাত্র আশ্রয়বাক্য থেকেই সিদ্ধান্তে গমন করা হয় তাকে


অমাধ্যম অনুমান বলে ।


১৩। অবরোহ অনুমান প্রধানত কত প্রকার?


উত্তর: দুই প্রকার।


১৪। একটি সহানুমানে কয়টি পদ থাকে?


উত্তর: তিনটি পদ।



৭ম অধ্যায়: আরোহ




১। কারণ কী?

অনুমান ও আরোহ অনুমানের ভিত্তি

উত্তর: কারণ হলো কার্যের পূর্ববর্তী ঘটনা যা কাজকে সংঘটিত করে। 

২। নিরীক্ষণ কী?

উত্তর: কোনো বিষয়ে উদ্দেশ্য সাধনের জন্য প্রাকৃতিক পরিবেশে প্রাকৃতিক ঘটনাবলির প্রত্যক্ষণকে নিরীক্ষণ বলে ।

৩। 'কূটাভাস' শব্দটির অর্থ কী?

উত্তর: কূটাভাস শব্দের অর্থ আপাত অসংগত মতবাদ ।

৪। আকারগত ভিত্তি কী কী?

উত্তর: আরোহের আকারগত ভিত্তি হলো-প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতি ও কার্যকারণ নিয়ম। 


৫। আরোহের ভিত্তি কয়টি?

উত্তর: আরোহের ভিত্তি দুটি। 

যথা-

১। আকারগত ভিত্তি 

২। বস্তুগত ভিত্তি।

৬। আরোহের ভিত্তি বলতে কী বোঝ?

উত্তর: যে বিষয়গুলোর কারণে আরোহ অনুমান সম্ভবপর হয়ে ওঠে তাকে আরোহের ভিত্তি বলে।

৭। নিরীক্ষণের অনুপপত্তি প্রধানত কত প্রকার?

উত্তর: দুই প্রকার ।

৮। কার্যসংমিশ্রণ কী?

উত্তর: অনেকগুলো কারণ মিলিতভাবে যখন কোনো জটিল কার্য উৎপন্ন করে তখন ওই জটিল বা মিশ্র কার্যটিকে কার্যসংমিশ্রণ বলে।

৯। আরোহের বস্তুগত ভিত্তি কী কী?

উত্তর: নিরীক্ষণ ও পরীক্ষণ।


Post a Comment

Previous Post Next Post